Pages

সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

১৩ তম পর্ব “চোখে দেখা রাজনীতি”র এ পর্বে আছে ঳ ৩০শে মে ১৯৮১ জিয়ার মৃত্যু ঳ জিয়া ও বঙ্গবন্ধু হত্যায় কিছু মিল

                             

৩১মে'র অভ্যূত্থান ও জিয়ার মৃত্যু :-

 ১৯৭১ সালে ২৮ মার্চ স্বাধীনতার ২য় ঘোষনা (যে ঘোষনায় নিজেকে Head of the Government বলেছিলেন)পাঠের মধ্য দিয়ে উচ্ছাকাঙ্খী জিয়া যে স্বপ্নের সোপানে উঠা মনে পোষেছিলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের সামরিক অভ্যূত্থানের পর  প্রধাণ সেনাপতি হওয়ার মধ্য দিয়ে  স্বপ্নের যাত্রার প্রথম ধাপে পা রেখেছিল, ৭ই নভেম্বরের আর এক অভ্যূত্থানে তিনি তার অভিষ্ট স্বপ্নের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন, পরে হাজার হাজার সৈনিকের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে সেই স্বপ্নকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছিলেন, সেই উচ্ছাভিলাসী সুচতুর সেনা নায়ক নিজেকে শেষ পর্যন্ত আর নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না,  ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সেনা অভ্যূত্থানে নির্মমভাবে তার  অতি ঘনিষ্ট সেনা অফিসারের হাতে প্রাণ হারান। আর এভাবে ব্যর্থ এক সামরিক অভ্যূত্থানে নিহত হয়ে যবনিকা পাত ঘটে বঙ্গবন্ধুর পরে সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত এই উচ্ছাকাঙ্খী সেনা তথা বিতর্কিত রাজনৈতিক চরিত্রের।

লক্ষ করলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে তার হত্যার কিছু মিল। বঙ্গবন্ধু নিহত হয়েছিলেন কতিপয় সেনা অভ্যুত্থানে তার ঘনিষ্ট জনের হাতে, তিনিও নিহত হয়েছিলেন তার ঘনিষ্ট সেনা অফিসারদের হাতে। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে যে সেনা অফিসাররা ছিলেন তাদের প্রায় সবাই ছিলেন তার ঘনিষ্টজন। হত্যা কারীরা যখন জিয়াকে হত্যা করতে তার  দরজায় এসে দাঁড়ায় তিনি তাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, "তোমার কি চাও", ঠিক বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছিলেন সেই খুনিদেরকেও তিনি বলেছিলেন "তোমারা কি চাও?"  কি অপূর্ব মিল ! কিন্তু একটা ব্যপারে জিয়ার সাথে বঙ্গবন্ধুর মিল খুঁজে পাইনা, জিয়া নিহত হওয়ার সময় যদি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতেন, তার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি কোনদিন বলতে পারতেন না, President is dead, so what? কারন জিয়াকে বঙ্গবন্ধু খুবিই ভালবাতেন, দেশী বিদেশী গোয়েন্দারা জিয়ার ষড়যন্ত্রের ব্যপারে বঙ্গবন্ধুকে বার বার শতর্ক করলেও তা তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি। কিন্তু সেই জিয়া তার প্রিয় ভাজন, পৃত্বিতুল্য, তার উপর দেশের প্রসিডেন্ট ও স্বাধীনতার স্থপতি, এমন এক ব্যক্তির হত্যাকান্ডের খবর শুনার পর উপ প্রধান সেনাপতি হয়েও শোকাহত দূরে থাক একটু বিচলিত হলেন না, কোন দয়িত্ববোধ দেখালেন না। বঙ্গবন্ধু যদি জিয়ার এরকম করুন মৃত্যু দেখতেন। তাহলে  কি তিনি বলতে পারতেন President is dead so what? 

 

        যাই হউক মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষনা পত্র পাঠ, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতে জিয়ার ভূমিকা, স্বাধীনতা পরবর্তী উপপ্রধান সেনাপতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু কতৃক নিয়োগে অসন্তুষ্টি , তারপর বাকশালের সদস্য হওয়া, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধু হত্যা কান্ডে জড়িত থাকার বিতর্ক থেকে শুরু করে ৭ই নভেম্বরের সেনা অভ্যূত্থান, কর্নেল তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা  সবকিছুতে আলোচিত সমালোচিত ও বিতর্কিত ভূমিকা তাকে বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডের রঙ্গমঞ্চে কখনো উচ্ছাকাঙ্খী, কখনো বিশ্বাসঘাতক কখনো নায়ক কখনো খল নায়ক নানা ভাবে আবির্ভূত হতে দেখেছেন বাংলাদেশের মানুষ।  যেভাবে তিনি আবির্ভূত হউন না কেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে  এবং ইতিহাসবিধদের কাছে তিনি আলোচিত সমালোচিত হতে থাকবে যুগ যুগ ধরে। 

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশৃঙ্খলা, অভ্যূত্থান পাল্টা অভ্যূত্থান এবং খুনাখুনীর মধ্য দিয়ে ক্ষমতার কাঁড়াকাঁড়ির যে প্রক্রিয়া চলে  তার পর থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধা সেনা অফিসার শূন্য করার কাজ শুরু হয়, মুক্তিযুদ্ধা খালেদ মোশারফ, মেজর হায়দার, কর্নেল হুদা থেকে শুরু করে ১৯৮১ সালের ৩০শে মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকান্ড, তার পর মুক্তিযুদ্ধা মঞ্জু হত্যা, জিয়া হত্যার বিচারের নামে কোর্ট মার্শাল করে আরো ১৩ জন মুক্তিযুদ্ধার ফাঁসী, এ সব ধারাবহিকভাবে মুক্তিযুদ্ধা হত্যার সূদূরপ্রসারী পরিকল্পনাই অংশ। এভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এ হত্যার অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে সেনা বাহিনী, মুক্তিযুদ্ধা তথা সারা জাতিকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। এ অপুরনীয় ক্ষতি জাতিকে যুগ যুগ ধরে বয়ে বেড়াতে হয়েছে।

  এখন আসা আবার প্রান্তের কাছে। প্রান্তের এখনো মনে আছে জিয়াকে যে রাতে হত্যা করা হয় সে রাত্রে সারা চট্টগ্রামে ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টিপাত হয়েছিল, প্রান্ত তার বাসা থেকে সকালে বের হয়ে কলেজে যাচ্ছিলেন। তখনো তিনি জানতেন না চট্টগ্রাম সর্কিট হাউজে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা একটা অভ্যূত্থান সংগঠিত হয়েছে যে অভ্যূত্থানে জিয়া নিহত হয়েছেন। বৃষ্টি ভেজা রাস্তায় গাড়ী চলাচলও সীমিত। দূ একটা সামরিক যান রাস্তার মধ্যে টহল দিচ্ছিল। তেমন কোন অস্বাভিকতাও  পরিলক্ষিত হচ্ছিলনা।  কিছুক্ষন দাঁড়ানোর পর একটি বাস আসল। প্রান্ত বাসটাতে উঠল। উঠে দেখে যাত্রীদের কেউ কেউ বাসে ফিস ফাস করে একে অন্যের সাথে কি যেন বলা বলি করছে। প্রান্ত এত কিছু খেয়াল করেনি। সে যখন তার কর্মস্থল কলেজে  গেল তখন ছাত্রদের এদিক ও দিক জটলা লক্ষ করল।  শিক্ষক মিলনায়তনে যখন ঢুকল তখন দেখল শিক্ষদের সবাই বলাবলি করছে চ্ট্টগ্রাম সর্কিট হাওজে  একটা সামরিক অভ্যূত্থান হয়েছে কেউ বলছে জিয়াা নিহত হয়েছে কেউ বলছে উনি পালিয়ে গেছেন।

 

 

 সব কিছু গুজব সঠিক খরবর কেউ দিতে পারছেনা। রাস্তায় রাস্তায় সেনা বাহিনীর কনভয় টহল দেওয়াতে মানুষের মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে  তাই মানুষ ভয়ে ভয়ে চলাচল করছে। বেলা যখন বাড়তে থাকে তখন জিয়া নিহত হওয়ার বিষয়টি ধীরে ধীরে খোলাসা হয়ে উঠে। তবে জিয়া হত্যার খবর যখন নিশ্চিত হলেও সারা চট্টগ্রামের কোথাও দেখা যাইনি জিয়া হত্যার প্রতিবাদে একটা মিছিল। বি এন পি নেতারা ভয়ে ভয়ে আত্মগোপন করে পরিস্তিতি পর্যেক্ষন করছেন। 

এদিকে অভ্যূত্থানকারীরা জেনারেল জিয়ার লাশ কোথায় নিয়েছে তা কেউ জানত না, পরে জানা গেল সার্কিট হাউস থেকে তার লাশ নিয়ে রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে কবরস্থ করা করেছে।       

         চট্টগ্রাম নগরী তখন ঢাকা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন, চারিদিকে শুধু গুজব আর গুজব, গুজব ডাল পালা মেলে সারা নগরীকে আতঙ্কিত করে তুলছিল। বিদ্রোহী সেনারা চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র দখলে নিয়ে প্রচার করতে থাকে চট্টগ্রাম কেন্টনমেমন্টের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল মঞ্জুরের নেতৃত্বে একটি বিপ্লবী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। দূপুরে জেঃ মঞ্জু কোর্ট বিল্ডিংএ সাংবাদিক, সরকারী, আধাসরকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভাষন দেন। তিনি সেনা বাহিনীর জেনারেল ষ্টাফ প্রধান জেঃ নূরুদ্দীনকে চারদফা দাবীনামা পেশ করেন যাতে অবিলম্বে তাদের চারদফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করা হয়। তার দাবী গুলা ছিল, ১) সারা দেশে সামরিক আইন জারী। ২) দেশের প্রধান বিচারপতিকে প্রেসিডেন্ট নিয়োগ। ৩) জাতীয় সংসদ বাতিল। ৪) তাদের বিপ্লবী পরিষদকে স্বীকৃতি প্রদান। 

জেঃ নুরুদ্দিন বিদ্রোহীদের দাবীসমূহ প্রত্যাখ্যান করে তাদের অবিলম্বে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেন। পরিস্তিতি গুরতর দেখে বিদ্রোহীরা চট্টগ্রাম নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা চালান। সেজন্য কুমিল্লা এবং ঢাকা কেন্টমেন্ট থেকে আগত সেনাবাহিনীকে প্রতিহত করার জন্য শুভপুর ব্রীজের কাছে সেনা বাহিনী প্রেরন করেন। কিন্তু সেনাদল স্বপক্ষ ত্যাগ করে সরকারী বাহিনীতে যোগ দিলে বিদ্রোহীদের মনোবল ভেঙ্গে যায়।

এ পরিস্তিতিতে বিদ্রোহের কথিত নেতা জেঃ মঞ্জু ফটিকছড়ি পায়দং খৈয়াপাড়া একটি চা বাগানে এক উপজাতি কুলীর ঘরে আশ্রয় নেন। পরের দিন বিকেলে হাটহজারী থানার ওসি গোলাম কুদ্দূছ তাকে গ্রফতার করেন এবং সেনবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করেন।  পরের দিন রহস্যজনক ভাবে তিনি নিহত হন।

         এদিকে যখন বিদ্রোহীদের অভ্যূত্থান ব্যর্থ হয়ে গেল এবং বি এন পি রাষ্টীয় ক্ষমতায় আসীন রইল। তখন চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে শুরু হয়ে গেল জিয়ার জন্য মাতম। অনেকে চোখের পানি পর্যন্ত ফেলা শুরু করল। অথচ যে কয়দিন চট্টগ্রাম বিদ্রোহীদের কবলে ছিল প্রান্তর চোখে পড়েনি জিয়ার জন্য প্রকাশ্যে কেউ কোন টু শব্দ করতে। প্রান্ত ভাবে ইতিহাসের দিকে তাকালে বাঙ্গালীর মধ্যে কিছু সুবিধাবাদী চরিত্র বার বার লক্ষ করা যায়। প্রতিকূল অবস্থায় তারা যে দিকে ঝড় সেদিকে ছাতা ধরে পরিস্তিতি পর্য়বেক্ষন করে, পরিস্তিতি যেদিকে অনুকূলে সেদিকের জয়গানে মত্ত হয়ে যায়। সেটা নবাব সিরাজুদ্দৌলা থেকে শুরু করে, ৭১এর মুক্তিযুদ্ধ, ৭৫এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড এবং ১৯৮১সালে জিয়াউর রহমান হত্যাকান্ডে সমভাবে প্রযোজ্য। নবাব সিরাজুদৌলার পরজয়ের পর ইংরেজরা তাকে বন্দী করে হত্যার পর তার লাশ ঘোড়ার গাড়ীর পিছনে রাজধানী মুর্শীদাবাদের রাজপথে অমর্যাদাকর ভাবে টেনে হিঁছড়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখন রাজপথের দু ধারে রাজধানীবাসী খুশীতে হাততালী দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিল। সেই সিরাজুদৌল্লা আজ বাঙালীর কাছে কত সম্মানীয়। অনেক দিন পর পরিস্তিতি আবার অনকূলে আসলে বাঙ্গালী নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে চিনতে পারল। তার জন্য আজ বাঙালীর কত  দুঃখ, ব্যথা, বেদনা। ৭১এ ২৫শে মার্চের পর যখন পাকিস্তানীরা বাংলাদেশ তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে গেল অনেক বাঙ্গালী রাজাকার হয়ে পাকিস্তান রক্ষায় নিয়োজিত হয়ে গেল। পাকিস্থান রক্ষায় কত মায়া কান্না জুড়ে দিল। যদি আজ বাংলাদেশ স্বাধীন না হয়ে পাকিস্তানীদের পদানত থাকত তাহলে সারা বাংলাদেশের পরিস্তিতি অন্য রকম হয়ে যেত, মুক্তিযুদ্ধারা দুষ্কৃতকারী এবং পাকিস্থানের শত্রু, এমনকি বাঙ্গালীরও শত্রু হয়ে যেত। বঙ্গবন্ধুকেও পাকিস্তানীদের মত বাঙ্গালীরাও বিশ্বাসঘাতক বলত। আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ায় সবাই বাংলাদেশের জয়গান গাইছে। বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে। তদ্রুপ  ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনীরা যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারত তাদের অভ্যূত্থান যদি ব্যর্থ হত তাহলে তখন বঙ্গবন্ধুর জন্য কতজন মায়া কান্না জুড়ে দিত, কত লক্ষ লক্ষ লোক জানাজায় অংশ নিত তা বলে শেষ করা যাবেনা। কিন্তু অভ্যূত্তান সফল হওয়ায়, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধীষ্টিত থাকার কারনে, বঙ্গবন্ধু হয়ে গেলেন অপাংতেয় এবং রাতারাতি নিষিদ্ধ এক গোন্ধম ফলের মত। তার নাম নেয়া যাবেনা। তার কথা বলা যাবেনা, তাকে জাতির পিতা দূরে থাক বঙ্গবন্ধুও বলা যাবেনা। প্রান্তু এসব ভাবতে ভাবতে জিয়ার জন্যও দুঃখিত হল। প্রান্ত একজন মুক্তিযুদ্ধা, তিনি তারমত আর একজন মুক্তিযুদ্ধা ভায়ের হত্যা কান্ডে  মর্মাহত  হবে এটাই তো স্বাভাবিক। তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করলেন।  আল্লার কাছে,  তার জন্য দোয়া চাইলেন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

২৬ তম পর্ব ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:

 . ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:-২০০৬ সলের জোট সরকার মেয়াদ শেষ হলে ক্ষমতা ছাড়ার সময় অাবার দেখা দেয় দুই প্রধান দল তথা জোট...