Pages

রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

১৭তম পর্ব “চোখে দেখা রাজনীতি”র এ পর্বে আছে ঳ এরশাদ আর জিয়া দুই স্বৈরাচারের তুলনামূলক আলোচনা

 


প্রান্ত রক্তে রক্তে মুক্তিযুদ্ধ দেখেছে, এক সাগর রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ এসেছে। ভেবেছিল রক্ত দেখার পালা শেষ। কিন্তু এরপরও রক্ত দেখার শেষ হয় নাই। দেখেছে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুর বর্বরোচিত হত্যা, এই যে হত্যার শুরু তারপর থেকে এখন পর্ষন্ত চোখে দেখে আসছে রক্ত আর রক্ত, প্রসিডেন্টের রক্ত, মুক্তিযুদ্ধা সৈনিকের রক্ত, স্বাধারণ সৈনিকের রক্ত, নেতা নেত্রীর রক্ত, আম জনতার রক্ত।  কত রক্ত আর দেখবে বাঙ্গলী!!  মুক্তযুদ্ধা প্রান্তরা শুধু এখন নিরব দর্শকের মত সব দেখে যাচ্ছে। আর ভাবতে থাকে কিসের জন্য এই বাংলাদেশ স্বাধীন করলাম,  এখন হচছেটা কি? বঙ্গবন্ধু নিহত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুন্ঠিত, সামরিক বহিনীতে ক্ষমতা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধা মুক্তিযুদ্ধা হানাহানি খুনা খুনি, দলাদলি। এসব দেখে  হতাস হয়ে পড়ে প্রান্তের মত মুক্তিযুদ্ধারা  এবং সাধারণ জনগণও। প্রান্ত ভাবে এজন্যই কি আমরা বাংলাদেশকে এত রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছি?  যে দেশের জন্য আজ প্রান্ত এবং তার মত আরো অনেকে বাবা হারা, মা হারা, বোন হারা,  তাদের এখনো কত শোক, কত লজ্জা, কত গ্লানী কাঁধে নিয়ে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।  এত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশে আজ এসব কি হচ্ছে? এই হতাসার কথা তার মত লক্ষ লক্ষ লোক কার কাছে বলবে ! কার সাথে শেয়ার করে নিজের মনকে একটু হালকা করবে!  মাঝে মাঝে প্রান্ত তার বান্ধবী একিই কলেজের প্রভাষক এবং সহকর্মী ফারজান হক বিথীর সাথে এসব নিয়ে কথা বলে। ফারজানাও আরেক মুক্তিযুদ্ধা পরিবারের সন্তান, সে তার দুঃখ গুলো বুঝে, তার দুঃখে সেও ব্যথিত হয়।  এ কলেজে অধ্যাপনা করার পর নিস্বঙ্গ প্রান্ত, ভালাবাসাহীন প্রান্তু, যেন এক প্রশান্ত সবুজ দ্বীপ খুজে পেয়েছে ফারজানা বিথী নামের এ মেয়েটির মাঝে। যার সাথে সে তার পরিবার, তার সমাজ, তার রাষ্ট্র, সব কিছু নিয়ে কথা বলে একটু হালকা হয়ে সাচ্ছন্দের জায়গা খুঁজে পায়।

   প্রান্ত জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে  নিরবে পাকিস্থান আমল থেকে রাজনীতির মঞ্চায়ন দেখে দেখে আসছে নিরব দর্শকের মত। তিনি জিয়ার ক্ষমতা দখল দেখেছে, ক্ষমতা নিজের কজ্বায় রাখতে গিয়ে কত মুক্তিযুদ্ধা ভাইকে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে তাও দেখেছে। এখন এরশাদকেও দেখেছে, প্রান্ত দেখে এরশাদ আর জিয়ার মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য নাই। এরশাদ এবং জিয়া দুজনের চরিত্র একিই, দু জনেরই লক্ষ্য সামরিক বাহিনীর কাঁধে বন্দুক রেখে গনতন্ত্রকে পদদলিত করে স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল  করা। দখল করে ছলে বলে কৌশলে সে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করা।

প্রান্তের মতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবছেয়ে ধূর্ত ও কূট বুদ্ধিসম্পর্ন সামরিক স্বৈরাশাসক হচ্ছেন জেঃ জিয়াউর রহমান এবং তারপর জেঃ এরশাদ। তারা দুজনই খুবই কৌশলে রাষ্ট্রপতি নিহত হওয়ার ঘটনা থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে আড়াল রেখে সময়মত খোলস থেকে বেরিয়ে এসে দেশের কান্ডারী হয়ে বসেছিলেন। আয়ুব খানের সামরিক শাসনের আদলেই এ দুজন সমর নায়ক  রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। এ সকল সামরিক শাসকরা সবাই পাকিস্থানী সামরিক বাহিনীর উত্তারাধিকারী।

        প্রান্তের মতে বাংলা দেশে জিয়া এবং এরশাদ এ দুজন সামরিক স্বৈরশাসক। এদের দুজনকে আমাদের নব প্রজন্মের সামনে নির্মোহ এবং নিপেক্ষভাবে তুলনামূলক বিচার বিশ্লেষন করে আমরা তুলে ধরতে পরিনা, বিএনপি বৃহত্তর দল হওয়ায় তাঁর সমর্থকরা তাঁর প্রতি আবেগ দেখাতে গিয়ে তার ক্ষমতা দখলকে বলেন বিপ্লব, তাকে বলেন বিপ্লবের নায়ক, আর এরশাদের  ক্ষমতা দখলকে বলেন সামরিক অভ্যূত্থান, আর তাকে বলেন  স্বৈরাশাসক। কিন্তু ক্ষমতা দখলে দূজনের ধূর্ততা এবং চাতুরী বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে দুজনের ক্ষমতা দখল ছিল হুবহু এক। দুজনেই স্বৈরশাসক। দুজনের মধ্যে পার্থক্য হল জিয়া ক্ষমতায় আসার পর মোহভঙ্গের আগে হানিমুন পর্যায়ে নিহত হয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। তাই তার প্রতি মোহের ঘোর কাটতে পারেনি।   কিন্তু এরশাদ ক্ষমতায় এসে হানিমুন পর্যায় শেষ করে বেশ কিছুদিন ঘর সংসার করেছেন, তাই তার প্রতি মোহ ভঙ্গ হয়েছিল তাই তাকে সৈরশাসক বলি। এরশাদকে যা বলি জিয়াকে সেটা বলতে কষ্ট পায়।

প্রান্ত নির্মোহভাবে দুই স্বৈরাচারের চূতুর্যপূর্ণ কৌশলের বিভিন্ন তুলনামূলক তথ্য উপাথ্য সংগ্রহ করে নিন্মে দেখিয়েছেন তাদের ক্ষমতা দখলের কৌশলে মূলতঃ কোন পর্থক্য নেই। 

মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখলের  কৌশল:-

ক) রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নিহত হন কিছু সেনা সদস্যের হাতে, দৃশ্যত এ হত্যাকান্ডে জিয়ার কোন সম্পৃক্ততা ছিলনা।

খ) কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পর তাঁর দলের একজনকে(খন্দককার মোশতাক)

পুতুল বানিয়ে পেছনে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সময় নেয়া হয়।

গ) পরে সামরিক আইন জারী করে একজন বিচারপতিকে (বিচারপতি সায়েমকে) প্রেসিডেন্ট বানিয়ে সেনা প্রধান (জিয়াউর রহমান) ক্ষমতা দখল করেন।

ঘ) ক্ষমতা দখলের পর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে  ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়ে সেনা নায়ক ব্যারাকে ফিরে যাবার অঙ্গীকার করেন।

ঙ) ক্ষমতায় আসার পর একাত্তরের পরাজিত শত্রুদের পুর্নবাসনের প্রকল্প হাতে নেন। যুদ্ধাপারধীদের বিচার বন্ধ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে খেলেন লুকোচুরি খেলা।

চ) রাষ্ট্রপতি হত্যাকারী সেনা কর্মকর্তাদের কোর্ট মার্শালে বিচার না করে দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করেন।

জ) একটা হাঁ না গণভোট করে  ৯৯% হাঁ ভোট নিজের পক্ষে দেখিয়ে নিজেকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ঘোষনা করেন।

ঝ) রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং জনবল ব্যবহার করে প্রজাতন্ত্রের করম্চারী হয়ে রাজনীতিতে অবৈধভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।

ঞ) দেশের উন্নয়নের কথা বলে ঘোষনা করেন ১৯ দফা কর্মসূচী।

ট) বিভিন্ন দলছুটদের নিয়ে জাতিয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠিত করেন, সেখানে সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে বুনা হয় মৌলবাদের বীজ। 

ঠ) তিনি স্বাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য তাঁর পূর্বসূরী আয়ুব ইয়াহিয়া তথা পাকিস্থানী শাসকদের মত ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করার কৌশল অনুশরন করেন। সে লক্ষে তিনি সংবিধানে বিছমিল্লাহ সংযোজন করেন। যদিও তিনি বঙ্গবন্ধু কতৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত অনৈসলামিক কর্মকান্ড  মদ জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ না রেখে পুনরায় চালু করেন।

ড) জাতিয়তাবাদী ফ্রন্টকে জাগ( জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল) দলে রূপান্তরিত করেন।

ঢ) অবশেষে দলের নাম আধুনিকায়ন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি) করা হয়। এবং জিয়াউর রহমান নিজেই তার চেয়ারম্যান পদে অধিষ্টিত হন।

লেঃজেঃ হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের কৌশল:-

জেঃ এরশাদও জেঃ জিয়ার একিই পদাঙ্ক অনুশরন করেন।

ক) একজন রাষ্ট্রপতি (এ ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান) সেনা বাহিনীর সদস্যদের হাতে নিহত হন। দৃশ্যত এ হত্যাকান্ডে এরশাদের কোন ভূমিকা ছিল না।

খ) রাষ্ট্রপতি হত্যার পর সেই দলেরই একজনকে(বিচারপতি আব্দুস সাত্তার) পুতুল বানিয়ে পিছনে পরিকল্পনা বাস্তবয়ানের সময় নেওয়া হয়।

গ) একজন বিচারপতি (এখানে হবে বিচারপতি এহসান উদ্দীন চৌধূরী)কে প্রেসিডেন্ট বানিয়ে সেনা প্রধান (এরশাদ) ক্ষমতা দখল করেন।

ঘ) ক্ষমতা দখলের পর সামরিক শাসন জারী করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেনাশাসক(এরশাদ) ব্যারাকে ফিরে যাবার অঙ্গীকার করেন।

ঙ) কিছু দিন পর জনগনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর কথা বলে প্রসিডেন্টের নিকট থেকে জোর করে ক্ষমতা দখল  করে নিজেই প্রেসিডেন্ট বনে যান।

চ) ক্ষমতায় আসার পর পরই ৭১ এর পরাজিত শত্রুর পুর্বাসন প্রকল্প অব্যাহত রাখেন। যুদ্ধাপরাধীর বিচারও বন্ধ থাকে। অব্যাহত থাকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে  বিকৃতি ও লুকোচুরি।

ছ) রাস্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু হত্যার তিনিও বিচার করেননি, তাদের তিনিও দূতাবাসে চাকুরী দিয়ে পুরুস্কৃত করেন এবং এবং তিনি তার পূর্বসূরী থেকে একধাপ এগিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনী সেনা কর্মকর্তােদর কাউকে কাউকে রাজনৈতিক দল গঠন করে দেশে রাজনীতি করার সুযোগও করে দেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেরও অংশ গ্রহন করার সুযোগ দেয়া হয় তাদের। জিয়া হত্যার বিচারও করেন নি তিনি। সাত্তারের সময় কোর্ট মার্শালে শুধু সেনা বিদ্রোহের বিচার করা হয়েছিল ।

ঝ) একটা হাঁ না ভোট করে ৯৯% ভোট নিজের পক্ষে সীল মেরে তিনিও তথাকথিত নির্বাচিত প্রসিডেন্ট  বনে যান।

ঞ) তিনিও রাস্ট্রিয় সম্পদ আর জনবল ব্যবহার করে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী থাকা অবস্থায় রাজনীতির যাত্রা শুরু করেন এবং দল গঠন করেন । @#$%$#@&%$#@

ট) তিনিও জিয়ার মত  উন্নয়নের আঠার দফা কর্মসূচী ঘোষনা করেন।

ঠ) বিভিন্ন দল ছুটদের নিয়ে তিনিও ফ্রন্ট তেরী করেন। তিনিও রাজনীতিতে সম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিয়ে জিয়ার পোঁতা মৌলবাদের বীজের অঙ্কোরুদ্গমন ঘটিয়ে তার পরিচর্যা করেছেন।

ড) তিনিও সাধারন মুসলমানকে ধর্মের ধোঁকা দেবার জন্য রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ঘোষনা করছিলেন। জেঃ জিয়া যেমন সংবিধানে বিছমিল্লাহ সংযোজন করেছিলেন। উল্লেখ্য এরশাদ ব্যক্তগতভাবে কত ধর্মপরায়ন তা তো দেশবাসীর জানা। 

ঢ) তিনিও জাতিয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠন করে জনদলে রূপান্তরিত করেন।

ন) অবশেষে দলের নাম আধুনিকায়ন করে জাতিয় পার্টি রাখেন এবং  নিজে দলের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্টিত হন।

(সহায়ক সূত্র-আমার ব্লক ডট কম,/৭ই নভেম্বরের প্রশ্ন /জিয়ার ক্ষমতা দখল বিপ্লব দিবস হলে এরশাদের ক্ষমতা দখল কেন হবেনা?(আবু সায়েদ,জিয়াউদ্দীন,০৯/১১/২০০৯)

     উপরের তুলনামূলক আলোচনায় প্রান্তের নিকট এ সত্যটা প্রতিভাত হয়েছে যে স্বৈরশাসকদের সবার চরিত্র এক। সে জিয়া বা এরশাদ যে হউন না কেন। জিয়ার আর এরশাদের মধ্যা শুধু ভিন্নতা একটি জায়গায়। জিয়ার প্রতি সাধারন মানুষের মোহ ভঙ্গের আগে সামরিক অভ্যূত্থানে নিহত হয়ে ক্ষমতাচ্যূত হয়েছেন আর এরশাদ ক্ষমতা হারিয়েছেন মোহ ভঙ্গের পর গনআন্দোনের মধ্য দিয়ে। তাই এরশাদকে স্বৈরাচার বলতে সবাই সাছন্দ বোধ করেন। তবে যে যাই বলুকনা কেন প্রান্ত মনে করেন তারা শুধু গনতন্ত্রকে হত্যা করেনি তারা ধংষ করেছে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি, তারা ধংষ করেছে মুক্তি যুদ্ধের চেতনা, তারা ধংষ করেছে অসম্প্রদায়িক রাজনীতির বিকাশ, তারা ধংষ করেছে গনতান্ত্রিক প্রতিষ্টান, তারা রাজনীতিতে আগমন ঘটিয়েছেন সুবিধাবাদী দূর্বৃত্ত চরিত্রের, আগমন ঘটিয়েছেন  মোলবাদী এবং স্বাধীনতা বিরুধীদের। তারা অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে রাজনীতিতে আনার রেওয়াজ চালু করে ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করেছেন। ফলে রাজনীতি চলে গেছে অরাজনৈতিক ব্যক্তির হাতে। সে জন্যই রাজনীতিতে চলছে দূর্নীতি আর দূর্বৃত্যায়ন। স্বৈরশাসকের এ আবর্জনা সাফ করে বাঙালীকে আবার আদর্শের পথে আসতে অনেক সময় পার করতে হবে। প্রয়োজন হবে হোসেন শহীদ সোহরোয়ার্দী, শেরে বাংলা, ভাসানী এবং বঙ্গবন্ধুর মত সৎ যোগ্য নেতার।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

২৬ তম পর্ব ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:

 . ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:-২০০৬ সলের জোট সরকার মেয়াদ শেষ হলে ক্ষমতা ছাড়ার সময় অাবার দেখা দেয় দুই প্রধান দল তথা জোট...