Pages

শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২

২৫ তম পর্ব, খলেদা জিয়ার সরকার (২০০১-২০০৬):-

 



 ১৯৯১ সালে বি এন পি  ক্ষমতায় এসে যে ভূলগুলি করেছিল, পুনরায়  ২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট জনগনের মেন্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার পর তা শুধরে নিয়ে জনগনের আশা আখাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাবে, প্রতিশ্রুত  খলেদা জিয়ার সরকার (২০০১-২০০৬):- ওয়াদা পালন করে দেশ তথা জনগণের উন্নয়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাবে এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষের সে আশায় গুড়ে বালি। তারা জনগনের আখাঙ্খার সিংহ ভাগই পুরন করতে ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধাপরাধী এবং পাকিস্থানের দালাল মুজাহিদ এবং মতিউর রহমান নিযামীকে মন্ত্রীসভার সদস্য করে প্রথমেই তারা ভূল পথে যাত্রা শুরু করে। এই ভূল পথের যাত্রা দিয়ে শুরু হয় তাদের শাসনের অব্যবস্থা, বিশৃঙ্খলা। এর পর দূর্নীতির মধ্যে বসবাস করে কেটেছে জামাত বিএনপি জোটের পাঁচটি বছর।

বিএনপি জামাত জোট তাদের নির্বাচনী ইসতেহারের ৩২টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের শতাধিক অঙ্গীকারের হাতে গোনা কয়েকটি অঙ্গীকারই মাত্র পুরণ করতে পেরেছিল।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্তিতির উন্নয়ন, দূর্নীতি দমন, বিচার বিভাগের পৃথকীকরনের মত বিষয়গুলা সরকারী সিদ্ধান্তহীনতায় থেকেছে অবহেলিত। 

দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে সীমিত আয়ের মানুষ ছিল দিশেহারা। দেশের উত্তরাঞ্চলে দেখা দিয়েছিল মঙ্গা।  মানুষের আয় যতটুকু বেড়েছিল তার ছেয়ে দ্রব্যমূল্য বেড়েছিল অনেক বেশী। বাজার নিয়ন্ত্রনে জোট সরকারের মন্ত্রীরা সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল,  কার্যতঃ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের মধ্যে কোন সমন্বয় ছিলনা।

 বিদ্যুতের অবস্থাও ছিল অথৈবচ, বিদ্যুতের অবস্থা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে ২৪ ঘন্টা সময়ে ৩/৪ঘন্টার বেশী বিদ্যুৎ থাকত না। কল কারখানা, দোকান পাট, আবাস গৃহ কোথাও বিদ্যুৎ পাওয়া যেত না, বিদ্যুতের দাবীতে সাধারন মানুষ রাস্তায় নামলে পুলিশ তাদের  গুলি করে হত্যা করে। বিদ্যুৎ নিয়ে দূর্নীতি এমন পরিহাসের পর্যায়ে গিয়েছিল যে সারা দেশে শুধু বিদ্যুতের খাম্বা পোঁতা হয়েছিল, কিন্তু বিদ্যুতে আলোকিত হতে পারেনি দেশ এবং জনগণ। সার নিয়েও হয়েছিল কেলেঙ্কারী, বিদ্যুতের মত সার চাইতে গেলেও কৃষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

  জোট সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর পরই একের পর এত খুন, ডাকাতি, সংখ্যালঘু নির্যাতনের মত ঘটনা ঘটে যা জন মনে ভীতি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় দিন দিন সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্তিতির চরম অবনতি ঘটে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জায়গা করে নিয়েছিল ইসলামী জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদ।২০০৫ সালের ১৭ই আগষ্ট সারা দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটিয়ে তাদের উত্থানের জানান দেয় জঙ্গী সংগঠন গুলি। এর পর সারা দেশে প্রায়ই চলতে থাকে বোমা ও গ্রেনেড হামলার মত জঙ্গী ঘটনা। ভয়ঙ্খর জঙ্গী বাংলা ভায়ের উত্থান এ আমলেই হয়েছে। অথচ তৎকালীন জামাত নেতা জোট সরকারের মন্ত্রী  মিতিউর রহমান নিজামী বলেছিলেন বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি।  রাজশাহীর পাঁচটি সিনেমা হলে একযোগে বোমা হামলা, বাঙ্গালী সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারক রমনার বটমূলের অনুষ্টানে ১লা বৈশাখে বোমা হামলা, পুলিশ, বিচারক, আইনজীবির উপর হামলা, এ সব সে আমলের কলঙ্কিত অধ্যায়। এ সকল হামলায় জীবন দিতে হয়েছে ৯৭টি নিরপরাধ মানব সন্তানকে, আহত হয়েছে আরো শত শত মানুষ। সবছেয়ে অবাক করা বিষয় হলো  বিএনপি জামাত রাষ্টীয় পৃষ্টপোষকতায় ২১শে আগষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা নেতৃত্বকে নিশ্চিন্ন করে দেয়ার জন্য গ্রনেড হামলা চালায়। এতে আওয়ামী মহিলা লীগের নেত্রী আইভী রহমানসহ চব্বিশ জন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মি নিহত হয়।আহত হয় আরো প্রায় তিন শতাধিক। রাজনীতিকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা না করে সন্ত্রাস ষড়যন্ত্রের পথে হাঁটা বিএনপি তথা জোট সরকারের আদর্শহীন রাজনৈতিক দৈন্যতারই প্রকাশ। এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের  উদ্দেশ্য ছিল  প্রতিদ্বন্দী আওয়ামীলীগকে ৭৫ এর মত নেতৃত্বশূন্য করে ধংষ করে দেয়া। যাতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী বলতে আর কেউ না থাকে। শুধু তাই নয় এই গ্রনেড হামলা ধামাচাপা দিতে গিয়ে তারা আরো এক নেক্কারজনক কাজ করেছিল জর্জমিয়া নামক নিরীহ ব্যক্তিকে এই ঘটনায় জড়িত করে নাটক সাজিয়ে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় এরকম সন্ত্রাস দেখে  নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে গিয়েছিল সাধারন মানুষ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, বিরুধী সাংসাদ সহ সকলের। এর আগেও সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের হাতে প্রাণ দিতে হয়েছে আহসান উল্লাহ মাস্টার, অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আফতাব আহাম্মদ, চট্টগ্রামের শিক্ষক গোকূল মোহুরী, ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক ও রেজিষ্টারসহ অনেককে। জঙ্গী হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন বৃটিস হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধূরী, সাবেক সাংসাদ সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত সহ অনেকে। এ আমলে সাংবাদিকরাও নিরাপদ ছিলনা।  বিএনপি জামাত জোট সরকারের সময় খুন করা হয়েছে দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বালু সহ প্রায় আটজন সাংবাদিককে।

বি এন পি জামাত জোট সরকার সন্ত্রাস দমনের নামে যৌথ বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে অপারেশান ক্লিন হার্ট নাম দিয়ে চালায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড। জোট সারকারের আমলে পাঁচ বৎসরে সন্ত্রাস দমনের নামে বিনা বিচারে প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়। এর মধ্যে অপারেশান ক্লিন হর্টের সময় যৌথ বাহিনীর হাতে ৫৬ জন,  র্যাব আর পুলিশের হাতে নিহত হয় ৯৫০ জন।

সে সময় সারা দেশজুড়ে সমাআলোচনার ঝড় উঠেছিল চট্টগ্রামের বিএনপি দলীয় এক সাংসদ এর বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার প্রতিদন্দ্বী একই দলের আর একজন নেতা চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামাল উদ্দীনকে তিনি অপহরন করে হত্যা করার পর লাশ গুম করে ফেলেছেন।  এ জঘন্য অভিযোগের সুষ্টু তদন্ত ও বিচার না করে এ নিয়ে সরকার নানা তালবাহানা ও লুকোচুরি করে। এর পর আসে আর এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা ১০ট্রাক অস্ত্র পাচার। এখানেও সরকারী শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী থেকে শুরু করে, সরকারী কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার অনেক বড় বড় রাগব বোয়াল জড়িত ছিল। এর পর বগুড়ার বিভিন্ন স্থান থেকেও ব্যপক পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়, পূর্বের ন্যায় এদের সাথেও শাসক দলের মন্ত্রী প্রতি মন্ত্রী, এম পি'র ভাই সহ বিভিন্ন উচ্ছ পদস্ত কর্মকর্তা জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল।

বিএনপি জামাত জোট আমলে দূর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়েছিল বলে দাবী করা হলেও তা ছিল ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দার। নীচু থেকে সরকারী শীর্ষ পর্যায়ে পর্যন্ত  দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও তা চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কমিশনের আর করার কিছুই ছিল না।

সরকারের প্যারালাল আর একটা সরকার চালাত প্রধান মন্ত্রীর পুত্র বনানীতে হাওয়া ভবনের প্রতিষ্টা করে। সেখানে চলত সরকারের বিভিন্ন কাজে হস্তক্ষেপ, দূর্নীতি, ষড়যন্ত্র,  বিরুধী দল নিশ্চিন্ন করার পরিকল্পনা সহ যাবতীয় অবৈধ কাজ। সরকারের  দূর্নীতির সুযোগ নিয়ে বেশ কিছু বড় বড় আমদানীকারক ও খুছরা ব্যবসায়ী নানা সুযোগে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দিয়ে এই পাঁচ বছরে বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন। সরকার তাদের বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা না নিয়ে বরং পৃষ্টপোষকতা করেছেন। 

শিক্ষা খাতও বিএনপির এ আমলে দূর্নীতিমুক্ত ছিলনা। মাধ্যমিক শিক্ষা সংস্কারের পাঁচশ কৌটি টাকার প্রকল্প, অনিয়ম, দূর্নীতি, অদক্ষতার কারনে সফল হতে পারেনি।

সরকারী কোন কাজ পেতে বিশেষ স্থানে কমিশন দেয়া রেয়াজের মত হয়ে গিয়েছিল। এ এসকল অনৈতিক  কাজের হোতা ছিলেন প্রভাবশালী মন্ত্রী নেতা-নেত্রীর আত্মীয় স্বজন।

নির্বাচনী অঙ্গীকার মত নির্বাচিত জন প্রতিনিধি সহ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও তাদের সম পর্যায়ের ব্যক্তিদের সম্পদের হিসাব দেয়ার সুনিদিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকলেও  ইচ্ছাকৃতভাবে  তা বাস্তবায়িত করা হয়নি। স্বায়ত্বশাসন দেওয়া হয়নি সরকারী  রেডিও টিভির। 

এশিয়ার বৃহত্তম পাটকল আদমজী বন্ধ করে দিয়ে তার সকল যন্ত্রপাতিসহ সবকিছু হরিলুট করা হয় এ জোট সরকারের আমলে। সে সময় দূর্নীতি এমন এক পর্যায়ে এসে ঠেকেছিল যে ট্রান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকে পরপর চারবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হবার বিশ্ব রেকর্ড দিয়েছে।

       শুধু তাই নয় বিএনপি জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছরে প্রশাসন জুড়েও ছিল ব্যাপক  অস্তিরতা, চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ, ওএসডি, চাকরিচ্যূতি, গন পদন্নোনতি, গন বঞ্চনা, জৈষ্টতা লঙ্ঘন, দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ বদলী।  এসব নিয়ম বহির্ভূত কারনে প্রশাসনে দেখা দেয় অস্তিরতা। তাছাড়া প্রায় সবকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও ছিল দলীয় নিয়োগ। এ ব্যপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সবার শীর্ষে।

  চার দলীয় জোট সরকারের আমলে গড়ে উঠেছে হঠাৎ ধনী কিছু প্রভাবশালী মানুষের। এদের মধ্যে আছেন মন্ত্রী, সাংসদ, সরকারী দলের নেতা সহ তাদের কিছু ঘনিষ্ট ব্যবসায়ী। গনমাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের জন্য তাদের টিভি চ্যানেল, বেতার কেন্দ্র এবং পত্রিকার অনুমোদন দেয়া হয়। আবার কেউ কেউ হয়েছেন বেসরকারি ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান বা পরিচালক।

স্থানীয় পর্যায়েও তৈরী হয়েছিল আরো প্রভাবশালী দূর্নীতিবাজ মানুষ। তারা টেন্ডারবাজি, কাজ ভাগাভাগি, চাঁদাবাজি, দখল এসব করে বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছিলেন।

বিএনপি জামাত জোট সরকারের সফলতা:- বিএনপি জামাত জোট সরকারের ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত শাসন কাল অস্তির, অরাজক, অবস্থা থাকলেও তাদের সফলতা কিছু যে নাই তা নয়, বিএনপি অন লাইন প্রচারে বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল বিএনপি, সফলতা(২০০১-২০০৬) নিয়ে যে ফিরিস্তি উল্লেখ করেছেন সংক্ষেপে নিম্ন রূপ।

 তাদের সফলতা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে বিএনপির লেখেন তারা সন্ত্রাসের লাগাম টেনে ধরার জন্য রেপিড এ্যকসন বেটেলিয়ান গঠন করেন।  দূর্নীতি দমনের জন্য গঠন করেন দূর্নীতি দমন কমিশন , মুক্তিযুদ্ধাদের ্জন্য প্রতিষ্টা করেন মুক্তিযুদ্ধা মন্ত্রনালয়।

 বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী গার্মন্টেস শিল্পকেও প্রদান করা হয় সরকারী সহায়তা। দেশের বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য দেশী বিদেশী এবং প্রবাসী বিনিযোগকারীদের  বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিয়ে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করেন।  

     যোগাযোগ খাতেও বি এন পি যতেষ্ট উন্নতি সাধন করে। চট্টগ্রামের নিউমোরিং টার্মিনাল নির্মান, বাংলাদেশ রেওয়ের আধুনিকায়ন, ভৈরবে  মেঘনা সেতু নির্মান, মুন্সীগঞ্জে  ধলেশ্বরী সেতু নির্মান, কর্ণফুলী নদীর উপর তৃতীয় সেতু নির্মানে অগ্রগতি, পদ্মা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাই করে বিশ্বব্যঙ্ক সহ দাতা সংস্থার কাছ থেকে অর্থ সংস্থান। চট্টগ্রাম সিলেট এয়ার পোর্টে দুটি টার্মিনাল ভবন নির্মান, এসব বিএনপি জোট সরকারের আমলের উন্নয়ন।

নারীদের ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষে ব্যবসায়ে আগ্রহী এবং আত্ম কর্ম সংস্থানমূলক কর্মে নিয়োজিত নারীদের জন্য সহজ শর্তে ঋনের সুবিধাও তারা প্রদান করেন।

  ২০০১সালে বি এন পি নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফাইবার অবটিক সাবমেরিন ক্যাবেল সংযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ইনফরমেসন হাই ওয়েতে পৌঁছে দেয়।

  তবে এ কথা বলতেই হবে যে পরিবেশ রক্ষায় চারদলীয় জোট সরকার পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং দুই স্টোক বিশিষ্ট বেবীটেক্সি তুলে দিয়ে পরিবেশ রক্ষায় বিরাট ভূমিকা রেখেছিল। এর ফলে ঢাকা শহর অনেকটা যানবাহনের ধূঁয়ামুক্ত হয়ে পরিবেশ দূষণ হতে অনেকটা মুক্ত হয়েছিল।  সারা দেশে পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষ রোপনের ক্ষেত্রে বিএনপি জোট সরকারের যথেষ্ট অবদান ছিল। 

দেশে প্রবাসী শ্রমিকদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয় গঠন করে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস যাতে  জনসংখ্যা রফতানিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে সে প্রচেস্টাও এই জোট সরকারের আমলে চালানো হয়।

যুদ্ধাহত ও দুস্থ মুক্তিযুদ্ধা, দরিদ্র, দুস্থ নারী, পুরুষ, শিশু এবং অসহায় প্রবীন নাগরিকদের জন্য পর্যায়ক্রমে একটি কর্যকর সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী করার লক্ষ্যেও তারা কাজ শুরু করেছিল। (সহায়ক সূত্র-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, সাফল্য,২০০১-২০০৬)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

২৬ তম পর্ব ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:

 . ২০০৬ সালে বি এন পি'র তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাটক:-২০০৬ সলের জোট সরকার মেয়াদ শেষ হলে ক্ষমতা ছাড়ার সময় অাবার দেখা দেয় দুই প্রধান দল তথা জোট...